এই ব্লগে বাংলা ভাষায় সহজবোধ্যভাবে ইথিকাল হ্যাকিং শেখানো হবে। সাইবার নিরাপত্তা, নেটওয়ার্ক হ্যাকিং, ওয়েব সিকিউরিটি এবং অনলাইন সুরক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত গাইডলাইন পাবেন এখানে। বিগিনার থেকে অ্যাডভান্সড লেভেল পর্যন্ত প্রতিটি বিষয় ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হবে।
সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫
পাইথন শিখি সহজে - ক্লাস ১: পাইথনের পরিচয়
ক্লাস ১: পাইথনের পরিচয়
লেভেল: বেসিক
হ্যালো বন্ধুরা! স্বাগতম পাইথন শেখার এই মজার জগতে। আজ আমরা শুরু করব একেবারে প্রথম ধাপ থেকে। এই ক্লাসে আমরা জানব পাইথন কী, কেন এটি শিখব এবং কীভাবে শুরু করব। তাহলে চলো, একটু মজা করে শিখে ফেলি!
পাইথন কী?
পাইথন হলো একটি সহজ এবং শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি ১৯৯১ সালে গুইডো ভ্যান রসম নামে একজন প্রোগ্রামার তৈরি করেছিলেন। পাইথন এতটাই সহজ যে এটি পড়তে অনেকটা আমাদের দৈনন্দিন ভাষার মতো লাগে। উদাহরণ দেখো:
print("হ্যালো বন্ধু!")
এই এক লাইন কোড দিয়ে তুমি স্ক্রিনে "হ্যালো বন্ধু!" লিখতে পারো। কী মজা, তাই না?
পাইথন কেন শিখব?
পাইথন শেখার অনেক কারণ আছে। কয়েকটা মজার কারণ দেখো:
- এটি শিখতে খুব সহজ, নতুনদের জন্য পারফেক্ট।
- ওয়েবসাইট, গেম, ডেটা বিশ্লেষণ—সব কিছুতে পাইথন ব্যবহার হয়।
- গুগল, ফেসবুক, নাসার মতো বড় কোম্পানিগুলো এটি ব্যবহার করে।
তো, তুমি যদি কিছু আকর্ষণীয় জিনিস বানাতে চাও, তাহলে পাইথন তোমার বন্ধু হতে পারে!
পাইথন কীভাবে শুরু করব?
পাইথন শুরু করতে প্রথমে তোমার কম্পিউটারে এটি ইনস্টল করতে হবে। চিন্তা করো না, এটা খুব সহজ। ধাপগুলো দেখো:
- python.org ওয়েবসাইটে যাও।
- তোমার কম্পিউটার (Windows, Mac, বা Linux) অনুযায়ী পাইথন ডাউনলোড করো।
- ইনস্টলারটি চালিয়ে ইনস্টল করে ফেলো।
- কমান্ড প্রম্পটে
python --versionলিখে চেক করো ইনস্টল হয়েছে কিনা।
ইনস্টল হয়ে গেলে তুমি প্রোগ্রামিং শুরু করতে প্রস্তুত!
তোমার প্রথম প্রোগ্রাম
একটি টেক্সট এডিটর (যেমন Notepad বা VS Code) খোলো। তারপর এই কোডটি লিখো:
print("আমি পাইথন শিখছি!")
এটি একটি ফাইল হিসেবে সেভ করো, যেমন first.py। তারপর কমান্ড প্রম্পটে গিয়ে python first.py লিখে রান করো। দেখবে স্ক্রিনে "আমি পাইথন শিখছি!" লেখা আসবে। বাহ, তুমি এখন একজন প্রোগ্রামার!
শেষ কথা
আজকের ক্লাসে আমরা পাইথনের সাথে পরিচিত হলাম এবং প্রথম প্রোগ্রাম লিখলাম। পরের ক্লাসে আমরা ভ্যারিয়েবল ও ডেটা টাইপ নিয়ে জানব। ততক্ষণ এই ছোট প্রোগ্রামটি দিয়ে মজা করো এবং কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে জানাও!
সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫
Ethical Hacking শেখার শুরু: কম্পিউটার ও হার্ডওয়্যারের মৌলিক বিষয়সমূহ
🚀 Ethical Hacking ক্লাস 1: কম্পিউটার এবং হার্ডওয়্যারের মৌলিক ধারণা
Ethical Hacking শেখার জন্য আপনাকে প্রথমেই কম্পিউটার ও হার্ডওয়্যারের মৌলিক বিষয়গুলো বুঝতে হবে। কারণ হ্যাকিংয়ের অনেক কৌশল হার্ডওয়্যার ও সিস্টেম স্ট্রাকচারের উপর নির্ভর করে।
______________________________________________
🧩 Lesson 1: কম্পিউটার কী এবং কীভাবে কাজ করে?
☞ একটি কম্পিউটার মূলত তিনটি প্রধান অংশে বিভক্ত:
1. Input Devices (যা ব্যবহার করে ডেটা ইনপুট করা হয়)
➤ Keyboard, Mouse, Scanner, Microphone ইত্যাদি।
2. Processing Unit (যেখানে ডেটা প্রসেস হয়)
➤ CPU (Central Processing Unit) হল কম্পিউটারের মস্তিষ্ক। এটি তিনটি ভাগে বিভক্ত:
- ALU (Arithmetic Logic Unit): গণনা ও লজিক অপারেশন করে
- CU (Control Unit): ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে
- Registers: অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে
3. Output Devices (যা ব্যবহার করে আউটপুট দেখা হয়)
➤ Monitor, Printer, Speaker ইত্যাদি।
______________________________________________
🧩 Lesson 2: কম্পিউটারের প্রধান হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট
🖥️ 1. Motherboard:
➡️ এটি কম্পিউটারের প্রধান সার্কিট বোর্ড যেখানে CPU, RAM, এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার যুক্ত থাকে।
⚙️ 2. CPU (Processor):
➡️ এটি কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে কাজ করে। সাধারণত Intel এবং AMD এর CPU বেশি ব্যবহৃত হয়।
🔋3. Power Supply Unit (PSU):
➡️ এটি কম্পিউটারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
💾 4. RAM (Random Access Memory):
➡️ এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি যেখানে প্রসেস চলাকালীন ডেটা সংরক্ষিত থাকে।
🗂️ 5. Storage Devices:
➡️ এখানে আপনার ফাইল ও ডেটা সংরক্ষিত হয়।
উদাহরণ: HDD (Hard Disk Drive), SSD (Solid State Drive)।
🎯 6. Network Interface Card (NIC):
➡️ এটি কম্পিউটারকে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করতে সহায়তা করে।
______________________________________________
🧩 Lesson 3: BIOS এবং Boot Process কী?
✅ BIOS (Basic Input Output System):
➡️ এটি কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার যা হার্ডওয়্যার ইনিশিয়ালাইজ করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য দায়ী।
✅ Boot Process:
➡️ কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় যে ধাপে ধাপে সিস্টেম লোড হয় তাকে Boot Process বলে।
☞ Boot Process Steps:
1️⃣ Power On → 2️⃣ BIOS Initialization → 3️⃣ POST (Power-On Self-Test) → 4️⃣ Boot Loader Execution → 5️⃣ Operating System Load
______________________________________________
🧩 Lesson 4: Operating System (OS) পরিচিতি
☞ হ্যাকিং শেখার জন্য নিম্নলিখিত তিনটি OS সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি:
1️⃣ Windows OS: সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ এবং বহুল ব্যবহৃত।
2️⃣ Linux OS (বিশেষত Kali Linux): Ethical Hackers ও Penetration Testers-এর জন্য অপরিহার্য।
3️⃣ MacOS: Mac ডিভাইসের জন্য ব্যবহৃত OS।
______________________________________________
🧩 Lesson 5: Command Line Interface (CLI) পরিচিতি
☞ CLI হলো এমন একটি টুল যেখানে আপনি কমান্ড টাইপ করে কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
✅ Windows এ CLI: Command Prompt (cmd)
✅ Linux এ CLI: Terminal
☞ কিছু সাধারণ কমান্ড:
🔹 `ipconfig` → আপনার IP Address দেখতে
🔹 `ping` → নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা IP Address-এ প্যাকেট পাঠিয়ে কানেকশন পরীক্ষা করতে
🔹 `dir` → ডিরেক্টরির ফাইলগুলো দেখতে
🔹 `cd` → ফোল্ডার পরিবর্তন করতে
______________________________________________
🔥 🎯 ক্লাস টাস্ক (Practicals)
✅ আপনার কম্পিউটারের RAM, CPU, এবং Motherboard Model বের করতে নিচের কমান্ড চালান:
☞ Windows Command:
```cmd
wmic cpu get name
wmic memorychip get capacity
wmic baseboard get product,manufacturer
```
☞ Linux Command:
```bash
lscpu
free -h
sudo dmidecode -t baseboard
```
______________________________________________
📌 Homework (অ্যাসাইনমেন্ট)
✅ আপনার নিজের কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করুন।
✅ `ipconfig` (Windows) বা `ifconfig` (Linux) কমান্ড চালিয়ে আপনার IP Address, Gateway ও Subnet Mask খুঁজে বের করুন।
✅ আপনার PC-এর BIOS Version খুঁজে বের করুন (Windows-এ `msinfo32` কমান্ড ব্যবহার করুন)।
______________________________________________________________________
🎯 পরবর্তী ক্লাস: Network Concepts
(নেটওয়ার্কিং-এর মৌলিক ধারণা)
যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে, নির্দ্বিধায় জিজ্ঞাসা করুন। Happy Learning!
রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫
Ethical Hacking road map basic to advance. সম্পূর্ণ বাংলায় গাইডলাইন।
🎯 Ethical Hacking শেখার সম্পূর্ণ রোডম্যাপ basic to advance
(এই রোডম্যাপ অনুযায়ী আমি আপনাদেরকে প্রতিটি ক্লাস প্রদান করবো। আপনারা যদি এই রোড ম্যাপটি ফলো করে, আমাদের প্রতিটি ক্লাস মনোযোগ সহকারে এবং শেখার আগ্রহ নিয়ে করতে থাকেন তাহলে আমি বিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি আপনি অবশ্যই একজন দক্ষ "Ethical Hacker" হয়ে উঠবেন এবং সঙ্গে একটি "সার্টিফিকেট " ও হাতে পাবেন খুব তাড়াতাড়ি। তবে হ্যাঁ মনোযোগ দিয়ে শিখতে হবে এবং প্র্যাকটিস করতে হবে। প্র্যাকটিস করা অত্যন্ত জরুরী।)
______________________________________________
📌 Phase 1: Basic IT Knowledge (প্রাথমিক আইটি জ্ঞান)
✅ ক্লাস 1: কম্পিউটারের মৌলিক ধারণা এবং হার্ডওয়্যার পরিচিতি
✅ ক্লাস 2: কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং (OSI Model, IP Address, DNS, etc.)
✅ ক্লাস 3: Windows ও Linux OS-এর মৌলিক ব্যবহার
✅ ক্লাস 4: Kali Linux ইন্সটলেশন এবং প্রাথমিক কমান্ড শেখা
✅ ক্লাস 5: Command Line Interface (CLI) ব্যবহার শেখা
✅ ক্লাস 6: Python ও Bash Scripting-এর ভূমিকা এবং প্রাথমিক কমান্ড।
______________________________________________
📌 Phase 2: Web Technologies & Scripting (ওয়েব টেকনোলজি ও স্ক্রিপ্টিং)
✅ ক্লাস 7: HTML, CSS ও JavaScript-এর মৌলিক ধারণা
✅ ক্লাস 8: SQL Database পরিচিতি ও SQL Injection এর প্রাথমিক ধারণা
✅ ক্লাস 9: Python Programming – হাতেকলমে অনুশীলন
✅ ক্লাস 10: Bash Scripting – অটোমেশন টুল তৈরির প্রাথমিক জ্ঞান।
______________________________________________
📌 Phase 3: Cyber Security Concepts (সাইবার সিকিউরিটির ধারণা)
✅ ক্লাস 11: Encryption & Cryptography – মৌলিক ধারণা
✅ ক্লাস 12: Phishing Attack কীভাবে কাজ করে
✅ ক্লাস 13: Malware & Ransomware – কিভাবে আক্রমণ হয় এবং কিভাবে প্রতিরোধ করা হয়
✅ ক্লাস 14: Social Engineering Techniques – বাস্তব উদাহরণসহ বিশ্লেষণ।
______________________________________________
📌 Phase 4: Penetration Testing (পেনিট্রেশন টেস্টিং)
✅ ক্লাস 15: Kali Linux Mastery – Nmap, Netcat, Hydra, etc.
✅ ক্লাস 16: Metasploit Framework – মৌলিক ব্যবহার
✅ ক্লাস 17: Burp Suite দিয়ে Web Application Testing
✅ ক্লাস 18: Vulnerability Assessment & Exploitation
______________________________________________
📌 Phase 5: Real-World Attacks (বাস্তবিক আক্রমণ ও অনুশীলন)
✅ ক্লাস 19: Website Defacement (প্রতিষ্ঠানকে সচেতন করার জন্য)
✅ ক্লাস 20: Wi-Fi Hacking – (WPA2, WPS Attacks)
✅ ক্লাস 21: Android Hacking – (Reverse Shell ব্যবহার করে হ্যাকিং)
✅ ক্লাস 22: Keylogger, RAT এবং Backdoor তৈরির প্রাথমিক ধারণা।
______________________________________________
📌 Phase 6: Capture The Flag (CTF) & Bug Bounty
✅ ক্লাস 23: TryHackMe & Hack The Box প্ল্যাটফর্ম পরিচিতি
✅ ক্লাস 24: Bug Bounty Platforms (HackerOne, Bugcrowd)
✅ ক্লাস 25: Vulnerability Disclosure & Report Writing
______________________________________________
📌 Phase 7: Career Development & Certifications (ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও সার্টিফিকেশন)
✅ ক্লাস 26: Cybersecurity Career Roadmap
✅ ক্লাস 27: CV & Portfolio তৈরির গাইডলাইন
✅ ক্লাস 28: সার্টিফিকেশন প্রস্তুতি (CEH, OSCP, etc.)
______________________________________________
🚀 শেখার পদ্ধতি ও পরিকল্পনা
- প্রতিটি ক্লাস বাংলা ভাষায় সহজ ব্যাখ্যা সহ হবে
- প্রতিটি ক্লাসে থাকবে ব্যাখ্যা + হাতে-কলমে অনুশীলন
- ক্লাস শেষে থাকবে বাস্তব উদাহরণ ও চ্যালেঞ্জ
- শেখার ধারা হবে শূন্য থেকে প্রফেশনাল লেভেল পর্যন্ত।
__________________________________________________________________________
আপনাদের কারো যদি কোন বিষয় বুঝতে অসুবিধা হয় বা কোন বিষয়ের উপর যদি কোন doubt থাকে তাহলে নির্দ্বিধায় আপনি আমাদেরকে জানাতে পারেন।
(আপনার প্রশ্ন বা মতামত জানাতে নিচের কমেন্ট বক্সে লিখুন।)
আপনাদের মূল্যবান অংশগ্রহণ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ধন্যবাদ সবাইকে! সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন।
শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫
Ethical Hacking Bangla – বাংলায় ইথিকাল হ্যাকিং শেখার সম্পূর্ণ গাইড
তোমার কি কখনও মনে হয়েছে, কেউ তোমার ফেসবুক বা ইমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে পারে? কিংবা তোমার ফোনের তথ্য চুরি হয়ে যেতে পারে? এসব ঝুঁকি থেকে বাঁচার জন্যই আছে ইথিকাল হ্যাকিং। এখন প্রশ্ন হলো — ইথিকাল হ্যাকিং আসলে কী?
______________________________________________
ইথিকাল হ্যাকিং কী?
ইথিকাল হ্যাকিং হলো এমন একটি বৈধ পদ্ধতি, যেখানে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা (Ethical Hackers) বিভিন্ন সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের দুর্বলতা পরীক্ষা করে সেগুলো নিরাপদ করার ব্যবস্থা নেন।
❗ সাধারণ হ্যাকাররা ক্ষতি করার জন্য সিস্টেম হ্যাক করে, কিন্তু ইথিকাল হ্যাকাররা সেই একই কাজ করেন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে — অনুমতি নিয়ে, আইনের মধ্যে থেকে।
______________________________________________
ইথিকাল হ্যাকার কে বা কাকে বলা হয়?
ইথিকাল হ্যাকার এমন একজন ব্যক্তি যিনি:
✅ কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে তাদের সিস্টেম পরীক্ষা করেন।
✅ সিস্টেমের দুর্বলতা খুঁজে বের করে সমস্যাগুলো সমাধান করতে সহায়তা করেন।
✅ বেআইনি হ্যাকারদের আক্রমণ থেকে সুরক্ষার জন্য কাজ করেন।
➡️ এদেরকে "White Hat Hacker" বলা হয়।
______________________________________________
ইথিকাল হ্যাকিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ইন্টারনেটে আমরা অনেক ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করি — যেমনঃ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও।
বেআইনি হ্যাকাররা (Black Hat Hackers) সুযোগ পেলেই এসব তথ্য চুরি করতে চায়। ইথিকাল হ্যাকাররা আগে থেকেই সেই দুর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।
______________________________________________
ইথিকাল হ্যাকাররা কী কী কাজ করেন?
একজন ইথিকাল হ্যাকার সাধারণত নিচের কাজগুলো করেন:
✅ সিস্টেমে কোথা থেকে অননুমোদিত প্রবেশ করা সম্ভব তা খুঁজে বের করা।
✅ নেটওয়ার্ক স্ক্যান করে দুর্বলতা শনাক্ত করা।
✅ ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশনের নিরাপত্তা পরীক্ষা করা।
✅ রিপোর্ট তৈরি করে কীভাবে সমস্যাগুলো সমাধান করা যায় তা জানানো।
______________________________________________
ইথিকাল হ্যাকিং কি বৈধ?
✔️ হ্যাঁ, ইথিকাল হ্যাকিং সম্পূর্ণ বৈধ, কিন্তু শর্ত হলো — এটি করতে হলে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিতে হবে।
❌ অনুমতি ছাড়া কোনো সিস্টেমে প্রবেশ করা বেআইনি এবং এর জন্য কঠোর শাস্তি হতে পারে।
______________________________________________
ইথিকাল হ্যাকার হওয়ার জন্য কী কী শেখা দরকার?
ইথিকাল হ্যাকার হতে চাইলে নিচের বিষয়গুলো শেখা খুব গুরুত্বপূর্ণ:
✅ নেটওয়ার্কিং (Networking): ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে তা বোঝা।
✅ অপারেটিং সিস্টেম (OS): বিশেষ করে Linux এবং Windows শেখা।
✅ প্রোগ্রামিং ভাষা (Programming): Python, C, বা Java শেখা উপকারী।
✅ সিকিউরিটি টুলস (Security Tools): যেমন Nmap, Metasploit, Burp Suite ইত্যাদি।
✅ প্রব্লেম সলভিং দক্ষতা: দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে পারার দক্ষতা।
______________________________________________
যারা প্রোগ্রামিং ভাষা নিয়ে ভয়ের মধ্যে থাকে তাদেরকে বলছি, প্রোগ্রামিং ভাষা ও প্রব্লেম সলভিং নিয়ে ভয়ের কিছু নেই!
✅ প্রোগ্রামিং ভাষা: ইথিকাল হ্যাকিংয়ের জন্য সম্পূর্ণ প্রোগ্রামিং শেখার দরকার নেই। শুধু কিছু মৌলিক বিষয় শিখলেই চলবে, যা সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব।
✅ প্রব্লেম সলভিং দক্ষতা: এটি কঠিন মনে হলেও, সঠিকভাবে ক্লু (সংকেত) গুলো অনুসরণ করলে খুব সহজেই শিখতে পারবে। ধাপে ধাপে অনুশীলন করলে এটি তোমার কাছে কিছুই মনে হবে না।
______________________________________________
ইথিকাল হ্যাকিং শেখার উপকারিতা কী?
✅ ভালো ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ (সাইবার সিকিউরিটি পেশায় বড় চাহিদা রয়েছে)।
✅ নিজের ব্যক্তিগত তথ্য ও অনলাইন অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে পারবে।
✅ বেআইনি হ্যাকারদের আক্রমণ প্রতিহত করতে পারবে।
✅ বড় বড় প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পেতে পারো।
______________________________________________
উপসংহার
ইথিকাল হ্যাকিং শেখা শুধু প্রযুক্তি প্রেমীদের জন্য নয়, বরং সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্যও উপকারী। নিজের তথ্য সুরক্ষিত রাখতে এবং সাইবার অপরাধ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে ইথিকাল হ্যাকিং সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন।
তোমার যদি ইথিকাল হ্যাকিং শেখার আগ্রহ থাকে, তবে প্রথমেই ছোট ছোট বিষয়গুলো শিখে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়া উচিত।
➡️ তোমার যদি এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে নিচে কমেন্টে জানাতে পারো!
____________________________________________________________________
🖥️ যদি পোস্টটি তোমার ভালো লাগে, তাহলে আমাদের পেজটি সাবস্ক্রাইব করো এবং নতুন আপডেট পেতে সাথে থাক!
XSS (ক্রস-সাইট স্ক্রিপ্টিং) শিখুন: ওয়েব সিকিউরিটি গাইড | ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৭
XSS (ক্রস-সাইট স্ক্রিপ্টিং) শিখুন: ওয়েব সিকিউরিটি গাইড | ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৭ ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৭:...
-
ইথিকাল হ্যাকিং কী? (Ethical Hacking) — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা তোমার কি কখনও মনে হয়েছে, কেউ তোমার ফেসবুক বা ইমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে পারে? ক...
-
SQL ইনজেকশন শিখুন: ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সিকিউরিটি (ডে-৬) | ইথিকাল হ্যাকিং ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৬: SQL ইনজ...
-
XSS (ক্রস-সাইট স্ক্রিপ্টিং) শিখুন: ওয়েব সিকিউরিটি গাইড | ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৭ ইথিকাল হ্যাকিং ডে-৭:...










